বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
Hakuho, All Time Greatest Sumo Wrestler Retire
চিরতরুণ রোনালদোর রহস্য উন্মোচন
ম্যানইউতে রোনালদো ফিরেছেন এক মাস হলো। তারমধ্যেই ফ্যাসাদ বেঁধে গেছে। তার খাবারের তালিকা নিয়ে অসন্তুষ্ট ম্যানইউর অন্যান্য খেলোয়াড়রা। রোনালদোর পছন্দের খাবার ম্যানইউর ক্যানটিনে রাখতে বলা হয়েছে। ক্লাবের বড় তারকার অনুরোধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। একপ্রকার বাধ্য হয়েই দলের বাকি ফুটবলাররা রোনালদোর পছন্দের খাবার খাচ্ছেন।
রোনালদোর আবদার মেনে ম্যানইউর ক্যানটিনে খাবারের তালিকায় রাখা হয়েছে অক্টোপাস ও পর্তুগিজ খাবার ‘বালকাহু’। রোনালদো তার সতীর্থদের সেই খাবার খেতে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সবাই তো আর অনুরোধে ঢেকি গেলেন না। তাদের সবচেয়ে বেশি আপত্তি অক্টোপাস নিয়ে। তাই তারা নিজেদের পছন্দের খাবার বদলাতে রাজি নন। এ নিয়ে ম্যানইউ শিবিরে দেখা দিয়েছে মধুর সমস্যা।
সম্প্রতি এক বার্গার দোকান থেকে রোনালদো তার পছন্দের হ্যাম খেয়েছেন। দলের এক খেলোয়াড় বলেছেন, রোনালদো তার খাবারের তালিকায় প্রোটিন রাখে। হ্যাম, ডিম, অক্টোপাস তার নিয়মিত খাবার। বাকিরা কিছুতেই সেই খাবার মুখে তুলতে চাইছে না। রোনাল্ডোর অনুরোধে কয়েকজন পর্তুগিজ খাবার খেয়েছিল। তারা প্রচণ্ড হতাশ।
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
আইসিইউতে ভর্তি দুরন্ত শৈশব! (ভিডিও)
ঠিক কোথা থেকে শুরু করব, এ নিয়ে ভাবতেই কেটে গেল অনেকটা সময়। এমন একটি বিষয়ে লিখতে বসেছি, যার সাথে প্রতিটি মানুষেরে আবেগ জড়িত। জীবনের এতটা পথ পাড়ি দেওয়ার পরও বার বার পিছু টানে ফেলে আসা দুরন্ত শৈশব। অর্থ, সম্মান, খ্যাতি- সবকিছু পাওয়ার পরও যেন সোনার হরিণ হয়ে অধরাই থেকে যায় জীবনের এই কয়েকটি বছর সময়। শৈশব জীবনের এমন একটি সময় যেখানে থাকে না কোনো সত্যিকারের লোভ, হিংসা। প্রতিটি শিশুর মনে ঢেউ খেলে যায় শুধু আনন্দধারা। শৈশবের এই দুরন্তপনা মানে না কোনো সমাজের প্রতিষ্ঠিত বাধা। শুধুই মনের খেয়ালে ছুটে চলা আমাগীর পথে। যদিও সব মানুষের শৈশব একইরকম কাটে না।
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১
কী আগুন জ্বলছে বুকে...!
লিওনেল মেসি ও বার্সেলোনা যেন একটি বৃন্তে ফোটা দুটি ফুল। ২১ বছরের মায়ার বাঁধন ছিন্ন করে ফ্রান্সের ক্লাব পিএসজির তাঁবুতে ঠাঁই নিয়েছেন মেসি। তার আগমনে পিএসজি সমর্থকরা নতুন আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু মেসির পারফরম্যান্স হাসি ফোটাতে পারেনি তাদের মুখে। পিএসজিতে এখনো নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি মেসি। চেনাতে পারছেন না নিজের জাত। ইতোমধ্যে তিনটি ম্যাচে মাঠে নেমেও বিশেষ কিছু করতে পারেননি। মেসি, নেইমার, কিলিয়ান এমবাপ্পে- এই ত্রয়ীকে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে শক্তিশালী আক্রমণভাগ বললে বাড়িয়ে বলা হবে না!
মেসির আগমনে পিএসজি সমর্থকরা যতটা আশা করেছিলেন, তার চেয়ে বেশি হতাশ হয়েছেন। তার বাঁ-পায়ের জাদু এখনো দেখাতে পারেননি। বরং, তিনি আসার পর পিএসজির ঘরে সৃষ্টি হয়েছে অশান্তি। এমবাপ্পে পিএসজি ছেড়ে রিয়াল মাদ্রিদে পাড়ি জমাতে চেয়েছিলেন। কেনইবা চাইবেন না? মেসির আগমন মানে এমবাপ্পে, নেইমার, ইকার্দি, ডি মারিয়াদের মতো তারকাদের যেকোনো দিন যে কাউকে সাইড বেঞ্চ বসে থাকা। রাগে, ক্ষোভে, অভিমানে হয়তো ঘর ছাড়তে চেয়েছিলেন এমবাপ্পে। তিনি তো এখন আগুনে ফর্মেই রয়েছেন।
এতো মেসি-পিএসজি কাহানি। ওদিকে মেসিকে হারিয়ে বার্সেলোনার অস্থা নাজেহাল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার পর লা লিগায় তাদের অবস্থা আরও শোচনীয়। মেসির শূন্যস্থন পূরণ করা তো দূরের কথা, পারফরম্যান্সে তার মানের ধারেকাছেও যেতে পারেনি কেউ। পাসিং ফুটবল ছেড়ে ইদানীং ক্রসনির্ভর খেলা শুরু করেছে বার্সা। মেসি চলে যাওয়ার পর বার্সার পারফরম্যান্সে ভাটা পড়েছে। কোচ রোনাল্ড কোমানের চাকরি নিয়ে শুরু হয়ে গেছে টানাটানি। স্প্যানিশ মিডিয়ায় গুঞ্জন, যেকোনো সময় বরখাস্ত হতে পারেন এই ডাচ কোচ। ছয়জনের নতুন কোচের সংক্ষিপ্ত তালিকাও নাকি করে ফেলেছে বার্সা কর্তৃপক্ষ। মেসি ও বার্সেলোনার বুকে যেন একই আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে। বিচ্ছেদের পরও যেন তারা কত কাছে! কী আগুন জ্বলছে বুকে...!
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
খাঁচায় বন্দি ‘টুরু লাভ’

প্রথম প্রেমে পড়া অবুঝ মনের কোণে সবচেয়ে বেশি উঁকি মারে আকাশের বাঁকা চাঁদ। ভালোবাসার মানুষের মুখে ভেসে ওঠে পূর্ণিমার চাঁদ। বার বার ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে করে প্রেমিকার চাঁদবদন। প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে উপমা দেওয়ার একমাত্র নির্ভরযোগ্য ভরসাই যেন তখন যোজন যোজন দূরের চাঁদ। ছোটবেলায় দাদি-নানির মুখে শোনা চাঁদের বুড়ির গল্পও যেন বাস্তবতার বাতি জ্বেলে দেয় মনের কোণে। কিন্তু মাটির পৃথিবীতে প্রিয় মানুষটিকে খুশি করার জন্য প্রতিটি প্রেমিক পুরুষকে ফুলের দ্বারস্থ হতে হয়। এসব সেকেল। যুগের সঙ্গে মানুষের ভালোবাসারও পরিবর্তন ঘটেছে। এখন মানুষ হাতে ফুল পাওয়ার চেয়ে বড় বড় রেস্টুরেন্টে গিয়ে দামি দামি বিদেশি খাবার খাওয়াকেই যেন বেশি প্রাধান্য দিয়ে ফেলছে। এখন আর প্রিয়ার খোপায় গাঁদা অথবা জবা ফুল গুঁজে দেয় না। সম্পর্ক গড়তে তাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে নামি দামি রেস্তোরাঁ। প্রাকৃতিকে বাদ দিয়ে মানুষ হয়ে উঠেছে বড় বেশি মেকি। বিশেষ দিনগুলোতে প্রেমিকের হাতে ফুলের চেয়ে ভালো-মন্দ খাবারের বাজেট দেখেই বেশি পুলকিত হয় প্রেমিকা।
কয়েকদিন আগে কঠোর লকডাউনের মধ্যে গিয়েছিলাম ঢাকার অদূরে বিরুলিয়ার গোলাপগ্রামে। যে গ্রামের সিংহভাগ মানুষ গোলাপ চাষ করেন। তাদের জীবিকার প্রধান মাধ্যম গোল চাষ। বিশ্বব্যাপী করোনার প্রকোপের প্রভাব পড়েছে এই গ্রামে। কমেছে গোলাপের দামও। অন্য সময় যেখানে গোলাপের দাম প্রতি পিচ পাঁচ থেকে দশ টাকা, করোনার দরুন সেই গোলাপের দাম নেমে দাঁড়িয়েছে প্রতি পিচ পঞ্চাশ পয়সায়! একবার ঠান্ডা মস্তিষ্কে ভেবে দেখেছেন? কী ভয়ানক, সাংঘাতিক। মানুষ এখন আর ধুমধামের সঙ্গে বিভিন্ন বিদস, অনুষ্ঠান করে না। এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে গোলাপ চাষীদের ওপর। কয়েকজন চাষীর সঙ্গে কথা বলে যা জেনেছি, তা হৃদয়বিদারক। একশ গোলাপের আঁটি থরে থরে সাজিয়ে রাখা পথের ধারে। কোনো দর্শনার্থী দেখলেই ডেকে ডেকে বলছেন, ভাই গোলাপ নিয়ে যান। প্রতি পিচ পঞ্চাশ পয়সা। একজন চাষীর এরচেয়ে দুর্দিন আর কী হতে পারে?
ভালোবাসার সঙ্গে গোলাপের সম্পর্ক অঙ্গাঙ্গীন। প্রথম প্রেমের প্রস্তাব একটি গোলাপ অথবা রজনিগন্ধার স্টিক ছাড়া কল্পনা করা যায় না। করোনায় গৃহবন্দি মানুষের ভেতরে প্রেমও যেন মরতে বসেছে! যান্ত্রিক যুগে তাই একথা নির্দিধায় বলা যায়, গোলাপের সঙ্গে কমেছে প্রেমের দাম। খাঁচায় বন্দি ‘টুরু লাভ’।
রেফারিকে চোর বলে লাল কার্ড পেলেন ফুটবল দলের কর্তা
৩ ফেব্র“য়ারি (শুক্রবার) কুমিল্লার ভাষা শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে বসুন্ধরা কিংস ১-০ গোলে হারায় মোহা...
-
৩ ফেব্র“য়ারি (শুক্রবার) কুমিল্লার ভাষা শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে বসুন্ধরা কিংস ১-০ গোলে হারায় মোহা...










